পর্যটকদের মাস্ক ভাসছে সাগরে, উধাও স্বাস্থ্যবিধি !!

নতুন বছরের দ্বিতীয় দিনেও পর্যটকদের উপচেপড়া ভিড় কক্সবাজারে। দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসা হাজারও মানুষের ঢলে মুখর সমুদ্র সৈকত। তবে আনন্দ-উচ্ছ্বাসের মাঝে উধাও স্বাস্থ্যবিধি মানার বাধ্যবাধকতা। ছিল না প্রশাসনের কড়াকড়িও।

নতুন বছর। সূর্যের কিরণে সমুদ্র স্নান। পরিবার পরিজন নিয়ে আনন্দ উদযাপনে হাজারও পর্যটকে মুখর কক্সবাজার সমুদ্র সৈকত। করোনামুক্ত পৃথিবীর প্রত্যাশা সবার কণ্ঠে।পর্যটকরা বলেন, নতুন বছরে সবকিছু নতুন করে শুরু করার প্রত্যাশা। এ বছরটা সবার আনন্দময় কাটুক।

তবে উচ্ছ্বাসের ঢলে ভেসে যায় স্বাস্থ্যবিধি মানার বাধ্যবাধকতা। পর্যটকদের মাস্ক পড়া এবং সামাজিক দূরত্বের কোনো বালাই নেই।এ প্রসঙ্গে তারা বলেন, মাস্ক নিয়েই এসেছিলাম। তবে তা সাগরে ভেসে গেছে। তবে চেষ্টা করছি স্বাস্থ্যবিধি মেনেই চলতে।

এমনকি স্বাস্থ্যবিধি নিশ্চিত করতে কোথাও দেখা যায়নি প্রশাসনের জোরালো পদক্ষেপ। যদিও পুলিশের দাবি, পর্যটকদের সচেতন করছেন তারা।কক্সবাজারের ট্যুরিস্ট পুলিশ উপ-পরিদর্শক ইয়ার হোসেন বলেন, আমরা মাইকিং করে সবাইকে সতর্ক করে দিচ্ছি। তবে অনেকেই সতর্কতা মানছেন না।

পর্যটন ব্যবসায়ী সমিতির তথ্য মতে, নতুন বছরের ছুটি কাটাতে গত তিনদিনে কক্সবাজারে আসেন তিন লাখ পর্যটক।নতুন বছরের দ্বিতীয় দিনেও পর্যটকদের উপচেপড়া ভিড় কক্সবাজারে। দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসা হাজারও মানুষের ঢলে মুখর সমুদ্র সৈকত। তবে আনন্দ-উচ্ছ্বাসের মাঝে উধাও স্বাস্থ্যবিধি মানার বাধ্যবাধকতা। ছিল না প্রশাসনের কড়াকড়িও।

নতুন বছর। সূর্যের কিরণে সমুদ্র স্নান। পরিবার পরিজন নিয়ে আনন্দ উদযাপনে হাজারও পর্যটকে মুখর কক্সবাজার সমুদ্র সৈকত। করোনামুক্ত পৃথিবীর প্রত্যাশা সবার কণ্ঠে।

পর্যটকরা বলেন, নতুন বছরে সবকিছু নতুন করে শুরু করার প্রত্যাশা। এ বছরটা সবার আনন্দময় কাটুক।তবে উচ্ছ্বাসের ঢলে ভেসে যায় স্বাস্থ্যবিধি মানার বাধ্যবাধকতা। পর্যটকদের মাস্ক পড়া এবং সামাজিক দূরত্বের কোনো বালাই নেই।এ প্রসঙ্গে তারা বলেন, মাস্ক নিয়েই এসেছিলাম। তবে তা সাগরে ভেসে গেছে। তবে চেষ্টা করছি স্বাস্থ্যবিধি মেনেই চলতে।

এমনকি স্বাস্থ্যবিধি নিশ্চিত করতে কোথাও দেখা যায়নি প্রশাসনের জোরালো পদক্ষেপ। যদিও পুলিশের দাবি, পর্যটকদের সচেতন করছেন তারা।কক্সবাজারের ট্যুরিস্ট পুলিশ উপ-পরিদর্শক ইয়ার হোসেন বলেন, আমরা মাইকিং করে সবাইকে সতর্ক করে দিচ্ছি। তবে অনেকেই সতর্কতা মানছেন না।পর্যটন ব্যবসায়ী সমিতির তথ্য মতে, নতুন বছরের ছুটি কাটাতে গত তিনদিনে কক্সবাজারে আসেন তিন লাখ পর্যটক। উৎস: সময়নিউজ।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

%d bloggers like this: