জেনে নিন, পেটের বাড়তি মেদ ঝরাতে যা করবেন !!

পেটে মেদ জমা অতি পরিচিত একটি সমস্যা। এর কারণে শরীরের আকৃতিই পাল্টে যায়, খারাপ দেখায়। তাই পেটে মেদ জমলে সবাই অস্বস্তি বোধ করেন। এই বাড়তি মেদ ঝরাতে মানুষ কী না করে৷ খেলাধুলা বা ব্যায়ামের মতো স্বাস্থকর পন্থা ছাড়াও অপারেশন করিয়ে মেদ কেটে বাদ দেবার ব্যবস্থাও করেন অনেকে৷

পেটের মেদ ঝরানোর জন্য নিয়মিত ব্যায়ামের পাশাপাশি খাদ্যাভাসে কিছু পরিবর্তন করা দরকার। খাদ্যাভাস আর নিয়মিত শরীর চর্চা একসঙ্গে মিলে শরীরে জমে থাকা বাড়তি ক্যালরি ধ্বংস করবে। যদি কেউ সত্যিকার অর্থে পেটের মেদ ঝরাতে চান তাহলে অবশ্যই উচ্চ ক্যালরিসম্পন্ন স্বাদযুক্ত খাবার খাওয়া পরিত্যাগ করতে হবে।কিছু খাবার আছে যেগুলো পেটের চারপাশে জমে থাকা মেদ ঝরাতে সাহায্য করে।

ফলমূলে খুব কম পরিমাণে ক্যালরি থাকে। এগুলো ভিটামিন আর খনিজে ভরপুর । বিশেষ করে সাইট্রাস জাতীয় ফল যেমন-কমলা, লেবু ,জাম্বুরা এগুলো শরীরের মেদ ঝরানোর জন্য দারুন কার্যকরী। এসব ফলে বিপাক ও অম্ল উপস্থিত থাকায় যেকোন ফলের তুলনায় মেদ ঝরাতে এগুলো দ্রুত কাজ করে। এছাড়া আপেল, তরমুজ, আঙ্গুর এবং স্ট্রবেরী ফল পেটের মেদ ঝরানোর জন্য উপকারী।

শাকসবজিতে ফলের তুলনায় কম ক্যালরি থাকে। এছাড়া বাঁধাকপি, ব্রকলি, টমেটো, পালং শাক, শিম ইত্যাদি শাকসবজিতে বেশি পরিমাণে খনিজ থাকে যা মেদ ঝরানোর জন্য দারুন উপকারী।বাদাম খেলে অনেকক্ষন পর্যন্ত পাকস্থলী পূর্ণ থাকে। এগুলোতে ভালো ধরনের ফ্যাট থাকায় এটি শরীরে বাড়তি ক্যালরি যোগ করে না। শরীরের মেদ ঝরানোর জন্য আখরোট, চীনা, পেস্তা, কাজু সব ধরনের বাদাম বেশ কার্যকরী।

ডিম উচ্চ প্রোটিনসমৃদ্ধ একটি খাবার। তবে এতে কম পরিমাণে ক্যালরি ও ফ্যাট থাকে। প্রতিদিন একটি করে ডিম সিদ্ধ করে খেলে এটি পেটের মেদ কমাতে সাহায্য করবে।মেদ ঝরাতে প্রতিদিন পর্যাপ্ত পানি পান করতে হবে, চিনিমিশ্রিত খাবার এড়িয়ে চলতে হবে।

এ ছাড়া চর্বিকে শরীর থেকে বার করতে ফুসফুস একাই একশো৷ শরীরের শতকরা ৮০ ভাগ চর্বিকে ভেঙে জলে পরিণত করার ও হাওয়ায় মিলিয়ে দেওয়ার দায়ভার সে বহন করে একাই৷ তাই ফুসফুসের কার্যকারিতা বাড়াতে শিশুকে সাঁতারে অভ্যস্ত করে তুলুন ছোট থেকেই।

শরীরে চর্বি জমা ঠেকাতে কার্বোহাইড্রেট জাতীয় খাবার তথা ভাত–রুটি–চিড়ে–মুড়ি খাওয়া কমাতে হবে৷ সিম্পল কার্বোহাইড্রেট যেমন, ময়দা–চিনি–মিষ্টি, ফলের রস, নরম পানীয় ইত্যাদিকে অস্পৃশ্য করে দিলেই ভাল৷ ঘি–মাখন ও তেল খেতে হবে যথাসম্ভব কম৷ ভাজাভুজি, ফাস্ট ফুড ও জাঙ্ক ফুডে আছে ক্ষতিকর ট্রান্স ফ্যাট৷ তাতে কেবল যে ওজন বাড়ে এমন নয়, বাড়ে বিভিন্ন অসুখের প্রবণতাও৷ তার বদলে ঘরে বানানো খাবার ও শাক–সব্জি–ফলে আস্থা রাখতে হবে।

ধূমপানে ফুসফুসের কার্যকারিতা কমে৷ কাজেই বিড়ি–সিগারেট ছাড়ুন৷ সমস্যা হয় বাতাসের দূষণ থেকেও৷ কাজেই কম দূষিত পরিবেশে থাকতে পারলে সেটা হবে উপরি পাওনা৷ ফুসফুসের কোনও রোগ থাকলে চিকিৎসায় তাকে নিয়ন্ত্রণে রাখুন৷

সুত্রঃ headntails

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

%d bloggers like this: